Nipun Services
  Toronto, Ontario, Canada
  A  House of  Quality & Trust

  Nipun  Services

  Provide accurate services

News and Views Post New Entry

Kumar Sarkar

Posted by Nipunservices on March 3, 2014 at 12:15 AM

 

পেট্রোলবোমায় গুরুতর দগ্ধ মুনিয়া বাঁচতে চায়পচতে থাকা মায়ের কাছে যেতে ভয় পাচ্ছে শিশু তৃষা!

.

প্রায় ৫ বছর আগে মামাদের সহায়তায় বিক্রমপুরের মৃত মোকসেদ মুন্সীর মেয়ে মুনিয়া বেগমের সাথে মেহেরপুর জেলার গোভীপুর গ্রামের মোফাজ্জেল খানের ছেলে হোটেল শ্রমিক রানা খানের বিয়ে হয়। ২ বছর আগে মুনিয়ার একটি মেয়ে সন্তান হয়। দরিদ্র হলেও সুখেই কাটছিল মুনিয়ার সংসার। গত ১১ নভেম্বর দুপুরে জামায়াত-বিএনপির হরতাল চলাকালে মেহেরপুর জেলার গোভীপুর থেকে আমঝূপি গ্রামের রানার বোন রুপার বাড়িতে অটোরিকশাযোগে মেয়েসহ বেড়াতে যাচ্ছিল মুনিয়া। যাত্রাপথে চানবিল মাঠের কাছকাছি অটোরিকশাটি পৌঁছেলে পিকেটাররা পেট্রোলবোমা ছুড়ে মারে। এসময় মুনিয়া গুরুতরভাবে দগ্ধ হয়। মুনিয়াকে প্রথম মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতাল ও পরে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে ভর্তি করা হয়। চিকিত্সকরা জানান, মুনিয়ার শরীরের ৯০ শতাংশ পুড়ে গেলেও শ্বাসনালী আক্রান্ত না হওয়ায় বাচার সম্ভাবনা রয়েছে। কিন্তু হতদরিদ্র রানা চিকিত্সা ব্যয় না মেটাতে পারায় চলতি বছরের ২ রা জানুয়ারির হাসাপাতাল থেকে শিবচরের সন্ন্যাসীরচরে মুনিয়ার মামা বাড়িতে নিয়ে আসে। এর পনের দিন পর মুনিয়াকে আবারো ঢাকায় নেওয়ার কথা থাকলেও অর্থাভাবে তা সম্ভব হয়নি। মুনিয়ার প্রতিদিনের ওষুধ খরচের ৪ শ টাকাও জোগাড় করতে না পারায় মুনিয়ার অবস্থা দিন দিন অবনতি ঘটছে। পুষ্টিকর খাবার না খাওয়ানোর ফলে মুনিয়ার শারীরিক অবস্থা দ্রুত অবনতি ঘটছে। ভাল চিকিত্সা, ওষুধ ও খাবারের অভাবে পুড়ে যাওয়া অংশগুলোতে পচন ধরেছে। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে ছোট শিশুটিও মায়ের বিকৃত চেহারা দেখে তার কাছে যেতে ভয় পাচ্ছে। ঘা বাড়তে থাকায় মুনিয়া তার শরীরের কোন অংশে কাপড়ও ব্যবহার করতে পারছে না। রাখা হচ্ছে অপরিচ্ছিন্ন একটি ঘরে মুরগীর খোয়াড়ের মতো তৈরি করে। মৃত্যুর জন্য মুনিয়া বারবার আকুতি করেও ছোট মেয়ের দিক তাকিয়ে সে আবার বাঁচতে চাইছে। কিন্তু অর্থের জোগানের চিন্তায় সে আশা ম্লান থেকে ম্লান হয়ে যাচ্ছে।

.

মুনিয়ার মামী মুকুলি বেগম ক্রন্দনরত অবস্থায় বলেন, দুনিয়ার ওর কোন জায়গা নেই। শশুর বাড়ির লোকেরা ওকে রাখতে পারছে না। তাই আমিই রেখেছি। কিন্তু আমিওতো গরীব। ওকে টাকার অভাবে চিকিত্সা করাতে পারছি না। ভাল কিছু খাওয়াতেও পারছি না।

.

মুনিয়ার স্বামী রানা খান বলেন, প্রায় ১ লাখ টাকা সহায়াতা পেলেও ধার কর্য করে দেড় লাখ টাকা খরচ করেছি। এখন হাতে কোন টাকা নেই। সারা দিন ওর পাশেই থাকতে হয়। তাই কাজও করতে পারছি না। চিকিত্সার অভাবে শরীরে প্রচণ্ড যন্ত্রনা বেড়েই চলেছে। আমরা গরীব তাই দেখা ছাড়া কিছুই করার নেই।

.

মুনিয়া অপলক দৃষ্টিতে বাঁচার আকুতি জানিয়ে বলেন, ভাই সারা শরীরে যন্ত্রনা। এই দেশের অপ রাজনীতির শিকার আমি। ভাল চিকিত্সা পেলে আমি বাঁচতে পারতাম। কিন্তু কে আমাকে চিকিত্সা করাবে। মরে গেলেও বাঁচতাম। কিন্তু মেয়েটার জন্য বাচতে ইচ্ছা করে। আমি মারা গেলে ওকে কে দেখবে। আমাকে বাঁচান ভাই। দয়া কইরা বাঁচান।

.

দত্তপাড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মুরাদ মিয়া মুনিয়াকে দেখতে গিয়ে বলেন, সারা শরীর ভয়াবহভাবে দগ্ধ হয়েও ও প্রায় ৪ মাস ধরে বেচে আছে। ওর কষ্ট দেখে মনে দাগ কেটে যায়। সমাজের বিবেকবানদের ও সরকারকে ওকে বাঁচাতে এগিয়ে আসতে হবে। মুনিয়াকে বাচানোর জন্য তিনি স্বামী রানার মোবাইল নাম্বারে ০১৮৩৮২৮৬৪১১ যোগাযোগ করার অনুরোধ জানান।

Categories: Need Help

Post a Comment

Oops!

Oops, you forgot something.

Oops!

The words you entered did not match the given text. Please try again.

Already a member? Sign In

0 Comments

Oops! This site has expired.

If you are the site owner, please renew your premium subscription or contact support.