Nipun Services
  Toronto, Ontario, Canada
  A  House of  Quality & Trust

  Nipun  Services

  Provide accurate services

News and Views Post New Entry

view:  full / summary

Alam

Posted by Nipunservices on November 19, 2014 at 10:45 AM Comments comments (1)

.

রানী সরকার এবং বনশ্রীর মানবেতর অবস্থার কথা পত্রিকার মাধ্যমে জানতে পারেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এরপরে প্রধানমন্ত্রী তাদেরকে গণভবনে আমন্ত্রণ জানান। প্রধানমন্ত্রী এ সময় অভিনেত্রী আমিরুনেসা খানম (রানি সরকার ) এবং একসময়ের চিত্রনায়িকা সাহিনা সিকদার (বনশ্রী ) প্রত্যেককে ২০ লাখ টাকা করে অর্থ অনুদান প্রদান করেন।

Ajmal Hoq Helal

Posted by Nipunservices on November 19, 2014 at 8:05 AM Comments comments (1)

.

দেশে নারী ও শিশু মন্ত্রনালয় আছে। শিশুদের জন্য সরকার প্রতিবছর বাজেটে মোটা অংকের টাকা বরাদ্দ রাখেন। শিশি অধিকার আইন ও নীতি মালা ও রয়েছে।ওই মন্ত্রনালেয়র মানণীয় সচিব মহাদয়ের কাছে প্রশ্ন রাখছি টাকাগুলো কোন খাতে ব্যায় করছেন? এই ছবিটি দেখে আপনার শিশুর কথাটি ভাবছেন। তবে আমার ধারনা আপনার ভাবার কথা নয় কারন আজকাৈল আপনারা সনদ জালিয়াতি করে এসব টাকা চুরি আর সরকারী অন্যান্য সুযােগসুবিধা নিচ্ছেন। তারপরও আপনার প্রতি অনুরোধ যখন আপনার অহংকার অহমিকা ছিলনা, চাকরিতে ডুকেন নি তখনকার কথা চিন্তা করে এসব শিশিদের জন্য কিছু করবেন?

M. Akash

Posted by Nipunservices on November 19, 2014 at 12:30 AM Comments comments (1)

মানবজমিনের কাছে থাকা অডিও রেকর্ডে শোনা যায়

.

ওইদিনের অনুষ্ঠানে তিনি ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের উদ্দেশে বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে যখনই কারও বায়োডাটা নিয়ে যাই তখন তিনি জিজ্ঞেস করেন, এরা কি ছাত্রলীগ করে? কোথায় ছিল? কোন পদ ছিল? তোমরা অনেকে বলেছিলে ছাত্রলীগের চাকরির কথা। তোমরা কি মনে কর, আমার ও আমার নেত্রীর চেয়ে অন্য কারও দরদ বেশি আছে? আমরা তো জান পরান দিয়ে চেষ্টা করি। নেত্রী যেভাবে বলছেন, যেভাবে হোক তাদের ব্যবস্থা করতে হবে। তোমাদের মধ্যে শৃঙ্খলা দেখে আমি গর্ববোধ করি। তোমাদের মধ্যে যারা সিনিয়র হয়ে গেছে বা যারা বের হয়ে গেছে তাদের ব্যবসা-বাণিজ্য যেভাবেই হোক প্রতিষ্ঠিত করতে হবে। তোমাদের মধ্যে যারা পরীক্ষা দিতে চাও। আমি বারবার বলবো। তোমরা রাজি থাকলে, আমি কোচিং ক্লাস নিতে রাজি আছি। কিন্তু তোমরা পড়াশোনা কর। পরীক্ষায় এক-দুই নম্বর বেশি পাও। লিখিত পরীক্ষাটা ভালো কর। তারপর আমরা ভাইভাটা দেখবো। এসময় ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা হাততালি দিয়ে এইচটি ইমামের বক্তব্যে উল্লাস প্রকাশ করেন।

.

তিনি বলেন, ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের অনেক কিছুতেই ব্যস্ত থাকতে হয়। এজন্য লিখিত পরীক্ষায় একটু ভাল করলেই ছাত্রলীগের ছেলেদের চাকরি পাওয়ার ব্যাপারে বিবেচনা করা হবে। তিনি বলেন, যেহেতু তোমাদের পড়ার সময় কম তাই রাত জেগে হলেও একটু পড়াশোনা কর। আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠন হিসেবে তোমাদের পাশে দাঁড়ানো আমাদের উচিত। তোমাদের পাশে ছিলাম, আছি এবং থাকবো।

.

নির্বাচন ও প্রশাসন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আজকে বাংলাদেশ পুলিশের, বাংলাদেশ প্রশাসনের যে ভূমিকা, এই নির্বাচনের সময় আমি তো প্রত্যকটা উপজেলায় কথা বলেছি। কল করে সব বলেছি। সব জায়গায় আমাদের যারা রিক্রুটেড। তাদের সঙ্গে কথা বলে, তাদের দিয়ে মোবাইল কোর্ট করিয়ে আমরা নির্বাচন করেছি। তারা আমাদের পাশে দাঁড়িয়েছে। বুক পেতে দিয়েছে। আমাদের যে পুলিশ ভাইরা, ১৯ জন প্রাণ দিয়েছে এই জামায়াত-শিবিরের আক্রমণে। কি নির্মমভাবে তাদের হত্যা করা হয়েছিলো। তোমাদের মনে আছে? এরা কারা? সব আমাদের নিজস্ব মানুষ।

.

বিড়িআর হত্যার কথা বলে। যারা হত্যাকা-ের শিকার হয়েছিলেন সেই ৫৩ জনের মধ্যে ৩৩ জনই ছিল আওয়ামী লীগের সমর্থক বা আওয়ামী লীগ পরিবারের সদস্য।

Pinaki Bhattacharya

Posted by Nipunservices on November 19, 2014 at 12:20 AM Comments comments (1)

- দোস্ত ক্যাঙ্কা আছু?

.

ফুড ভিলেজে নেমেই ডাক শুনে পিছনে তাকালাম। দেখি শুভ্র শ্মশ্রু মণ্ডিত এক প্রশান্ত ভদ্রলোক আমার দিকেই হাসিমুখে তাকিয়ে আছেন। কাছে আসতেই বুঝলাম এ হচ্ছে নীরু। আমাদের স্কুলের বাল্য বন্ধু নীরু। ডানপিটে নীরু। যে কোন কারণেই হোক নীরুর সাথে অনেক দিন পরে দেখা।

.

-আছিরে ভালো। তুই ঢাকায় যাচ্ছিস?

-হ্যাঁ, আমি ঢাকাতেই থাকি এখন।

-কী করছিস ঢাকায়?

.

-সকাল সাড়ে ছয়টায় ছোট মেয়েকে কলেজে নিয়ে যাই। ওকে ক্লাসে ঢুকিয়ে দিয়ে বসে থাকি। এর পরে ক্লাস শেষ হলে ওকে নিয়ে বাসায় ফিরি। ওকে খাইয়ে আবার কৌচিং এ নিয়ে যাই।

.

-ব্যাস এই টুকুই? আর কিছু করিস না? আমি বিস্ময়ে প্রশ্ন করি।

-কেন, এই কাজটা কি গুরুত্বপূর্ণ না? নীরু বলে।

আমি একটু লজ্জিত হই।

-আর তোর বড় মেয়ে? ও কত বড়? কী পড়ে?

-ওকে গত বছর বিয়ে দিয়েছি। অ্যামেরিকায় থাকে।

-বলিস কী? তোর মেয়ের বিয়ে হয়ে গেছে? তুই বিয়ে করেছিলি কবে?

এবার নীরু মুখ নিচু করে বলতে থাকে।

.

-কথাটা যতবার বলি, আমার খুব খারাপ লাগে, তারপরেও তোকে বলি, অনেকদিন দেখা হয়নি তোর সাথে তাই হয়তো তোর জানা নাই। ওরা দুজনেই আমার নিজের মেয়ে না। আমার বড় ভাইয়ের মেয়ে। আমার বড় ভাই আর ভাবী দুজনেই যখন মারা যান তখন ওদের একজনের বয়স আট, আরেকজনের বয়স চার বছর। তখন থেকেই নিজের মেয়ের মতো মানুষ করছি।

.

নীরু বলতেই থাকে।

-ওদের জন্যই আমি আর বিয়ে করিনি।

-বলিস কী? এসব ঘটনা তো আজকাল আর সিনেমাতেও দেখা যায়না!!!

.

-হ্যাঁ, করিনি। কেটেই তো যাচ্ছে জীবনটা। তুই তো ভালো ছাত্র ছিলি, হিসাব কর তো, কোনটা দামী, আমার জীবন নাকি ওই দুই শিশু কন্যার জীবন?

.

আমি সত্যিই জানিনা রে নীরু। জীবনের সবচেয়ে বড় পরীক্ষায় তুই হাসতে হাসতে আমাদের সবাইকে টেক্কা দিয়ে দিলি। আজ বুঝলাম, আমরা তোর কাছে ধূলিকণার চেয়েও ক্ষুদ্র।

Dr. Younus

Posted by Nipunservices on November 18, 2014 at 10:55 AM Comments comments (0)

রসের যন্ত্র

বর্তমান অর্থনৈতিক ব্যবস্থার দিকে মনোযোগ দিয়ে তাকালেই পরিষ্কার হয়ে উঠবে যে এটা আসলে নৈর্ব্যক্তিক একটা শোষণ যন্ত্র। এর কাজ হলো নিচ থেকে রস শুষে অনবরত উপরের দিকে পাঠাতে থাকা। বহু স্তরে বিন্যস্ত এ যন্ত্র ধাপে ধাপে নিচের স্তরের রস তার উপরের স্তরে পাঠায়। এর সর্বনিুের স্তরটি সবচেয়ে বিশাল। সেখানে অসংখ্য কর্মী নিরলসভাবে বিন্দু বিন্দু করে রস তৈরি করে। তার উপরের স্তরটিতে তুলনামূলকভাবে অনেক কম মানুষ, কিন্তু যন্ত্রে তাদের অবস্থানের কারণে শক্তিতে তারা অনেক বলবান। তাই তারা নিচের সংগ্রহ করা রস অনায়াসে নিজের কাছে টেনে নেয়। উপরে যারা আছে তারা খারাপ মানুষ হওয়ার কারণ এটা হচ্ছে তা নয়। যন্ত্রের কারণেই মূলত এটা হচ্ছে। যন্ত্রটাই এভাবে বানানো হয়েছে। স্তরে স্তরে সাজানো মানুষগুলো নিচের স্তরের রস উপরে টেনে নিয়ে নিচ্ছে তাদের শক্তির কারণে। এতে কেউ দোষের কিছু দেখে না। বরং ধরে নেয় যে এটাই জগতের নিয়ম। অথচ বিষয়টা জগতের নিয়ম নয়। কিছু পণ্ডিত বসে এরকম একটা শাস্ত্র তৈরি করে সবাইকে বিশ্বাস করিয়ে দিয়েছে যে, এটাই জগতের নিয়ম; এ নিয়ম মেনে চললে সবার জন্য মঙ্গল। প্রত্যেক স্তরে মানুষের সংখ্যা তার আসন্ন নিচের স্তরের মানুষের সংখ্যা থেকে অনেক কম। কিন্তু প্রত্যেক মানুষের আয়ত্তে রসের পরিমাণ হতে থাকবে নিচের স্তরের চেয়ে তুলনামূলকভাবে অনেক বেশি। শেষ পর্যন্ত সর্বোচ্চ স্তরে থাকবে হাতেগোনা কয়েকজন মানুষ মাত্র। কিন্তু তাদের আয়ত্তে এত রস সংগৃহীত থাকবে যে নিচের দিকের অর্ধেক স্তরে জমানো সব রস একত্র করলেও এই পরিমাণ রসের সমান হবে না।

.

আমরা এটা জেনেই চমৎকৃত যে, যে যত উপরের স্তরে যেতে পারবে, যন্ত্রের গঠনের কারণে সে তত অল্প আয়াসে, অনেক বেশি গুণ রস সংগ্রহ করার ক্ষমতা অর্জন করবে। এমনকি সে বসে থাকলেও যন্ত্র তাকে ক্রমাগত রস জুগিয়ে দিতে থাকবে।

.

আয়-বৈষম্য বাড়ানোর প্রক্রিয়া পুঁজিবাদী কাঠামোতে অবিচ্ছেদ্যভাবে গ্রথিত আছে। তার ওপর যে প্রাতিষ্ঠানিক আয়োজন গড়ে উঠেছে তা এই আয়-বৈষম্য বৃদ্ধি আরও জোরদার করে দিয়েছে। পুঁজি, ঋণ, স্বাস্থ্য, প্রযুক্তি, শিক্ষা সবকিছুর প্রাতিষ্ঠানিক আয়োজন ভাগ্যবানদের পক্ষে। ভাগ্যহীনদের জন্য সব দরজা বন্ধ। তাদের পক্ষে এসব দরজা খোলা প্রায় অসম্ভব। কাজেই মানুষে মানুষে আয়-বৈষম্য বেড়েই চলবে। যে যন্ত্র ক্রমাগতভাবে নিচ থেকে রস সংগ্রহ করে উপরে চালান দেওয়ার কাজে নিয়োজিত সে যন্ত্র কখনো উপর-নিচের আয়ের ব্যবধান ঘুচাতে পারবে না। আয় বৈষম্য আমাদের এখন কোথায় নিয়ে এসেছে সেটা দেখলেই পরিস্থিতি বোঝা যাবে। পৃথিবীর সবচেয়ে ধনী ৮৫ জন মানুষের কাছে যে সম্পদ আছে তার পরিমাণ আয়ের দিক থেকে নিচে আছে পৃথিবীর এমন অর্ধেক মানুষ, অর্থাৎ ৩৫০ কোটি মানুষের মোট সম্পদের যোগফলের চেয়ে বেশি। অন্যভাবে তাকালেও একই দৃশ্য দেখা যাবে। আয়ের দিক থেকে উপরে আছে পৃথিবীতে এমন অর্ধেক মানুষের কাছে আছে পৃথিবীর মোট সম্পদের ৯৯ শতাংশ। অর্থাৎ নিচের অর্ধেকাংশ মানুষের কাছে আছে পৃথিবীর মোট সম্পদের মাত্র এক শতাংশ। বর্তমান পুঁজিবাদী ব্যবস্থায় কি এ অবস্থার উন্নতি হবে? না, হবে না। কারণ অর্থনৈতিক যন্ত্রটিকে কাজ দেওয়া হয়েছে উপরওয়ালাকে আরও রস জোগান দেওয়া। নিচের রস উপরের দিকে যেতেই থাকবে। আয়-বৈষম্য বাড়তেই থাকবে। নিচের তলার মানুষের মাথাপিছু যে প্রবৃদ্ধি হবে, উপর তলার মানুষের মাথাপিছু আয়ের প্রবৃদ্ধি যে তার থেকে বহুগুণ বেশি হবে এটা বুঝতে কারও কষ্ট হওয়ার কথা নয়। সামাজিক ব্যবসা নিচ থেকে উপরে রস চালান দেওয়ার গতিটা কমাবে। পুঁজি, ঋণ, স্বাস্থ্য, প্রযুক্তি ও শিক্ষার প্রাতিষ্ঠানিক আয়োজনকে সামাজিক ব্যবসা একেবারে নিচের তলার লোকের কাছে সহজলভ্য করে দিতে পারে। তার ফলে তাদের সম্পদ ও আয় বৃদ্ধির সুযোগ সৃষ্টি হবে। উপরের তলার অফুরন্ত সম্পদের অংশ সামাজিক ব্যবসায় নিয়োজিত হলে তাদের আরও সম্পদশালী হওয়ার প্রবণতা কমবে। সামাজিক ব্যবসার পরিমাণ যদি ব্যক্তিগত মুনাফাকেন্দ্রিক ব্যবসার চেয়ে বেশি হতে আরম্ভ করে তাহলে যত না নিচের রস উপরে যাবে তার চেয়ে বেশি উপরের রস নিচে আসতে শুরু করবে।সামাজিক ব্যবসা তাত্ত্বিক কাঠামোতে একটা উল্টো যন্ত্র স্থাপন করছে। উপরের রস নিচে আনার যন্ত্র। ব্যবসায়িক ভিত্তিতেই একই মার্কেটে দুই যন্ত্র কাজ করবে। কোন যন্ত্রটির জোর বেশি হবে সেটা নির্ভর করবে আমরা কী চাই তার ওপর। সিদ্ধান্ত আমাদের হাতে, যন্ত্রের হাতে নয়। আমরা আমাদের পছন্দের যন্ত্রটা নিয়ে কাজ করব। বর্তমানে যন্ত্র একটাই। কাজেই এখানে আমাদের কোনো সিদ্ধান্ত কাজে লাগে না। যন্ত্রই সিদ্ধান্ত স্থির করে দিয়েছে। আমাদের বলা হচ্ছে যে এটাই একমাত্র এবং সর্বোত্তম যন্ত্র। আমরা সে কথা বিশ্বাস করে কলের পুতুলের মতো এ যন্ত্র ব্যবহার করে তথাকথিত সাফল্যের পেছনে যথাসাধ্য দৌড়াছি। আমাদের একটু থেমে নিজেদের জিজ্ঞাসা করতে হবে আমরা কি নিজের ইচ্ছাসম্পন্ন সৃজনশীল মানুষ হবো, নাকি কলের পুতুল হব? মানুষের প্রতি মানুষের ঔদাসীন্য জয়ী হবে, নাকি মানুষের প্রতি মানুষের সহমর্মিতা জয়ী হবে? যন্ত্র জয়ী হবে, নাকি মানুষ জয়ী হবে?

ড. মুহাম্মদ ইউনূস

Khondaker

Posted by Nipunservices on November 18, 2014 at 10:55 AM Comments comments (1)

বিপন্ন গণতন্ত্র, লাঞ্ছিত মানবতা, বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ কী?

দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকার পর সিটে বসে মহিলা বললেন, কেউ ক্ষমতায় থাকতে মরিয়া; কেউ ক্ষমতায় যেতে মরিয়া। তারা যেভাবে একে অন্যকে আক্রমণ করছেন, দেশের মানুষকে জিম্মি করছেন, তাতে ভয়াবহ বিপদের আসতে বাকী নেই। তার পাশে থাকা এক বৃদ্ধ মহিলা বলেন, বিপদ আসতে বাকী নেই কেন; বিপদ তো চলছেই। ওরা মারামারি করবে, ক্ষমতায় থাকার জন্য অস্থিরতা সৃষ্টি করবে আর আমরা প্রতিনিয়ত ঝুঁকির মধ্যে কেন থাকব? ঘরে নিরাপত্তা নেই; বাইরেও নিরাপত্তা নেই। ছেলেমেয়েকে স্কুলে পাঠিয়ে বাসায় স্বস্তির থাকতে পারি না। পথে বের হয়েও ভয় লাগে। ঘরেও মানুষ নিরাপদ নয়। দ্রব্যমূল্য এমন পর্যায়ে গেছে স্বাভাবিকভাবে বাজার সদয় করতে পারি না। কোথাও নিরাপত্তা নেই; সর্বত্র অনিশ্চয়তা। আমাদের জীবনের নিরাপত্তার দায়িত্ব কে নেবে? আমরা কেন আজ অনিশ্চয়তার মধ্যে জীবন কাটাব? বিপন্ন গণতন্ত্র, লাঞ্ছিত মানবতা, বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ কী?

Khondaker

Posted by Nipunservices on November 18, 2014 at 10:55 AM Comments comments (1)

একটি দেশের কমপক্ষে ৪০ ভাগ নিরপেক্ষ জনগন দরকার সমাজের ভারসাম্য নিয়ন্ত্রনের জন্য।

একটা সরকার যখন ভালো ভালো কাজ করবে, তখন মনে রাখবেন সামনে আসছে নির্বাচন। আগের প্রতি নির্বাচনে বিএনপি কি আওয়ামিলীগকে ঠিক একই চরিত্রে দেখা গেছে। এ এক জনগনকে ধোঁকা দেবার নীতি। প্রতিবারেই দেখা গেছে অর্থমন্ত্রী বিশাল বাজেট নিয়ে বিশাল বক্তৃতা দিচ্ছেন আর বিরোধীদল ভালো খারাপ কিছু না বুঝার আগেই চিৎকার দিচ্ছেন। নির্বাচনের আগে এম্পি নির্বাচনের খেত্রে তাদের সম্পত্তির হিসাব দিয়ে সুন্দরভাবে চরিত্র সার্টিফিকেট দেওয়া হচ্ছে। অথচ তাদের নির্বাচনের খরচ ঐ চরিত্র সার্টিফিকেট সত্যায়িত করে না।

এতো সুন্দরভাবে বিজ্ঞ-অবিজ্ঞ সব মানুষকে মহহিত করে রেখেছে চলমান রাজনীতি সেই শুরুর থেকে। এক পক্ষ আর এক পক্ষকে কামড়ে ছিরে ফেলার চেষ্টা করছে আর মাঝখান থেকে সাধারণ জনগন নিরব দর্শকের মতো সব কিছু বন্ধ করে উপভোগ করতে বাধ্য হচ্ছে। কামড়ে কামড়ে ক্ষত-বিক্ষত হছে সমাজের সকল স্থর।

দুই বা ততোধিক পার্টি সমাজের সকল স্থরে এমনভাবে জাল ছিটিয়ে রেখেছে যারা মরে গেলেও মূলটানের কারনে তাদের হয়েই কাজ করতে বাধ্য বা নিরপেক্ষ হবার কোন উপায় নাই। দেশের কিছু লোক একটি নির্দিষ্ট দলকে সমর্থন করতে পারে কিন্তু সমাজে যখন নিরপেক্ষ মানুষ কমে যাবে তখন আইন বা ভালো কিছুর নিয়ন্ত্রণ হাড়িয়ে যাবে যা বাংলাদেশে এখন মূল সমস্যা হয়ে গেছে। একটি দেশের কমপক্ষে ৪০ ভাগ নিরপেক্ষ জনগন দরকার সমাজের ভারসাম্য নিয়ন্ত্রনের জন্য। এরাই নিরপেক্ষভাবে নির্বাচনে প্রকৃত বেক্তিকে নির্বাচন করলে সৎ ও যোগ্য বেক্তি উক্ত সমাজের নেত্রিত্তে আসলে সমাজের চেহারার পরিবর্তন আসতে বাধ্য।

Khondaker

Posted by Nipunservices on November 18, 2014 at 10:50 AM Comments comments (120)

.

শুক্রাণুই হছে প্রথম জীবনশক্তি

পুরুষের শুক্রাণুই হছে প্রথম জীবনশক্তি কারন মিলনের পরে এই শুক্রাণুই সাঁতার কেটে কেটে ডিম্বাণুর কাছে যায় যেখানে ডিম্বাণু থাকে স্থির এক ফুলের গুচ্ছর মতন। শুক্রাণুর প্রথম খাদ্য বা নিষেক থেকে শুরু হয় প্রথম ধাপ। এর পরের পরিবর্তনের ধাপে ধাপে এক নতুন শিশুর রূপান্তর ঘটে। ফলে দেখা যাচ্ছে জীবনের শুরু ঐ শুক্রাণু নয় ডিম্বাণু। সন্তানটি মেয়ে না ছেলে হবে তা নির্ভর করবে ডিম্বাণুর নিষেকের উপরে।

Rumi Ahmed

Posted by Nipunservices on November 18, 2014 at 10:30 AM Comments comments (80)

তুমি ভাবছো আমি বেঠিক, কারন আমি নারী!

তুমিই সঠিক কোন ফর্মুলায়, জানতে কি তা পারি?

তোমার ভাষায়, চিন্তা আমি গ্রন্থি দিয়ে করি।

আমি ভাবছি সত্য কেন, লিঙ্গকে দেয় আড়ি!

পাপ-পূণ্য পৃথিবীর দুই সন্তান ছিল ভারী,

ভুলছো কেন, তুমিও কিন্তু একই গ্রন্থিধারী!

"গ্রন্থি "(gland)

-রুমী আহমেদ

Sabina Ahmed

Posted by Nipunservices on November 18, 2014 at 10:25 AM Comments comments (104)

.

হাসিনার খেদ বাংলাদেশের উপর। বাংলাদেশের মানুষের উপর। কারন সবার জানা। হাসিনার মতে বাংলাদেশের জন্মদাতা তার পিতার মৃত্যুতে বাংলার মানুষ প্রতিবাদ করল না, কাঁদলো না, এমন কি জানাজায় পর্যন্ত অংশগ্রহণ করলো না। মুক্তিযোদ্ধা মতিউর রহমান রেন্টুর বইতে পড়েছিলাম হাসিনার প্রতিক্রিয়াঃ বাংলার মানুষকে আমি কাদিয়ে ছাড়বো......... বাংলাদেশকে আমি ধংস করে ছাড়বো।

.

হাঁ। হাসিনা তার প্রতিজ্ঞার শেষ প্রান্তে এসে গেছে। সব লেখার মত সময় নাই। তার সবচেয়ে বড় খেদ বাংলাদেশ সেনা বাহিনী। বাংলার মানুষেরও শেষ ভরসার স্থল বাংলাদেশ সেনা বাহিনী। এই বাহিনীকে ধাপে ধাপে ধ্বংসের শেষ প্রান্তে নিয়ে এসেছে।

.

> সেনাবাহিনী মেধাশুন্য করতে চেয়েছে, চৌকস অফিসারদের মেরে তা করেছে। কিছু মৃত্যু পর্দার বাহিরে ঘটেছে, কিছু মৃত্যু ঘটেছে পর্দার অন্তরালে।

.

> সেনাবাহিনীর চেইন অফ কমান্ড ভাঙ্গার প্রয়োজন ছিলো, হাসিনা তাতে সফল হয়েছে। চেইন অফ কমান্ড ভাঙ্গা মানে সেনাবাহিনীর কোমর ভেঙ্গে দেওয়া। আর কোমর ভাঙা সেনাবাহিনী মানে পোষা কুকুর। মনিবের পদ লেহন ছাড়া আর কিছু করার থাকে না।

.

> হাসিনার উদ্দেশ্য পুরনে বা কাঙ্খিত লক্ষে পৌছতে সেনাবাহিনীতে 'র' এর অনুপ্রবেশ ঘটানোর দরকার ছিলো, হাসিনা সফল্ভাবে তা করতে পেরেছে। প্রথমে 'র' এর জন্য ডিজেএফআই এর সদর দপ্তরের পঞ্চম তলায় দুটি রুম বরাদ্ধ দিলেও এখন পুরো পঞ্চম তলা 'র' এর জন্য বরাদ্ধ বা তাদের দখলে।

.

> এত কিছুর পরও হাসিনার সেনাবাহিনীর উপর খোব প্রশমন হয়নি। শেষ পর্যন্ত সেনাবাহিনীকে অপায়েজ পঙ্গু করার জন্য মাদকের বিস্তার ঘটিয়ে এমন ছোবল দিল যে এর থেকে সেনাবাহিনীকে উদ্ধার করা আদৌ সম্ভব হবে কিনা জানি না।

.

অনেকের হয়তো মনে আছে মেজর (বর্তমানে লেঃ কর্নেল) সিব্বির যশোর থেকে ঢাকা আসার পথে তার প্রাইভেট কারে বিপুর পরিমান ফেন্সিডিল সহ পুলিশের হাতে ধরা পড়ে। এতগুলো ফেন্সিডিল সে কি তার নিজে খাওয়ার জন্য ঢাকা আনতেছিল? উত্তর দেওয়ার প্রয়োজন মনে করি না কারন সে বর্তমানে সেনাবাহিনীতে বহাল তাবিয়তে আছে। প্রোমোশন পেয়ে লেঃ কর্নেল হয়েছে। এর মাঝে ইউএন মিশনেও গেছে!

.

সেনা অফিসারদের ভিতর মাদকের ভয়াবহতা কি মারাত্তক আকার ধারন করছে তা সাধারণ মানুষ বা সিভিলিয়ানদের চিন্তার বাইরে। অফিসার মেসগুলো এক একটা মাদকের আখড়া হয়ে গেছে। একটা উধারন দেইঃ অফিসারস মেস ব্রাভোতে (মেস-বি) একটা পুকুর আছে। পুকুরটা মাছ চাষের জন্য ইজারা দেওয়া। বছর তিনেক আগে ইজারাদার মাছ ধরার জন্য জাল দিলে মাছের পরিবর্তে শত শত ফেন্সিডিল ও মদের বোতল জালে আটকায়। ইজারাদার বিষয়টা স্টেশন কমান্ডারকে অবহিত করলে পুকুরটি সেচে এগার বস্তা ফেন্সিডিল ও মদের বোতল পায়। এটা সারা বাংলাদেশের একটা খন্ডিত চিত্র মাত্র।

.

দুই দুই বার আর্মি দেশে কে উদ্ধার করেছিল স্বৈরাচার থেকে, ১৯৭১, ১৯৭৫। সেই আর্মিকে ধংস করে হাসিনা মেইড শিওর আর্মি জাতিকে আর সাহায্য করতে পারবেনা। আর ১৫ই অগাস্ট হবে না।

.

(ছবিতে যাকে দেখা যাচ্ছে সে লেঃ কর্নেল রউফ। শীতকালীন সামরিক মহড়ায় আয়েশে শিশা খাচ্ছে। সে বর্তমানে র‍্যাব-১৩ এর সিও। সে র‍্যাবের হয়ে যেখানে গিয়েছে সেখানে বিরোধী দলের লোকজনকে অপহরন ও গুম করাই ছিলো তার প্রধান কাজ। নারায়ণগঞ্জ সেভেন মার্ডারের পর এই রউফকে নিয়ে অনলাইনে অনেক লেখালেখি হয়। তার একটি পশমও খসে পড়েনি। কারন সে হাসিনার খুব আস্থাভাজন ও হাসিনার এজান্ডা বাস্তবায়নের অন্যতম ভুমিকায় আছে।)

.

কার্টেসিঃ জাতির নানা

Khondaker

Posted by Nipunservices on November 17, 2014 at 9:50 AM Comments comments (1)

.

মোশার্রফ হোসেনের নিঃস্বার্থ অবদান

মোশার্রফ হোসেনের বাবা আবদুর রাজ্জাক খান চৌধুরী ছিলেন স্কুলশিক্ষক৷ প্রয়াত বাবার নামে প্রতিষ্ঠা করেছেন ‘আবদুর রাজ্জাক খান চৌধুরী উচ্চবিদ্যালয়’। মা ও দাদির নামে গড়েছেন ‘আশেদা-জোবেদা খান চৌধুরী ফোরকানিয়া মাদ্রাসা’৷ আর তাঁর দুই ছেলেমেয়ের নামে গড়েছেন ‘মুম-রোহান চাইল্ড প্রি-কাডেট স্কুল’৷

.

শিক্ষক বাবার সংসারে অভাব-অনটন ছিল। বেশি লেখাপড়া করতে পারেননি মোশার্রফ। সেই আক্ষেপ থেকেই এলাকার শিক্ষা বিস্তারে তাঁর এই উদ্যোগ। তিনি বলেন, ‘আমি কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে পারিনি । টাকার অভাবে আমার এলাকার কোনো শিক্ষার্থীর লেখাপড়া যেন ব্যাহত না হয়, সে জন্য কিছু করার চিন্তা ছিল সব সময়। আমার সীমিত সামর্থ্যের মধ্যে তাদের জন্য কিছু করতে পেরেছি, এটাই আমার বড় আনন্দ।

.

দেড় দশক ধরে মোশার্রফ হোসেন নিউইয়র্কে আছেন৷ মাধ্যমিক পাস করে ১৯৮৩ সালে ২০ বছর বয়সে কাজের সন্ধানে কাতার যান তিনি৷ সেখান থেকে ১৯৮৯ সালে নিউইয়র্কে গিয়ে ট্যাক্সিক্যাব চালানো থেকে শুরু করে নানা ধরনের ছোটখাটো কাজ করতে থাকেন জীবিকার প্রয়োজনে৷ সম্প্রতি সেখানে একটি ফাস্টফুডের দোকান চালুও করেছেন। তাঁর স্ত্রী ও দুই সন্তান দেশেই থাকেন৷ স্ত্রী-সন্তানদের বিদেশে নেননি কেন? মোশার্রফ হোসেনের জবাব, ‘আমি সেখানে একা কোনোরকমে থাকি। স্ত্রী-সন্তানদের নিয়ে গেলে খরচ বেড়ে যেত। তা ছাড়া গ্রামে যে কাজগুলো করছি, সেগুলো করা সম্ভব হতো না।’ এ জন্য তিনি স্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞ বলে জানালেন।

.

দেশে না থাকলেও এলাকাবাসী তাঁকে সব সময় স্মরণ করেন গ্রামের একটি শতবর্ষী বটগাছ এবং পাঁচটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কারণে। প্রবাসে কঠোর পরিশ্রম করে উপার্জিত অর্থে গ্রামের ছেলেমেয়েদের জন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গড়া, পরিবেশ রক্ষা ও নানা ধরনের জনহিতকর কাজের মধ্য দিয়ে এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার ধান্যদৌল গ্রামের মোশার্রফ হোসেন। একটি-দুটি নয়, এলাকায় পাঁচটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গড়েছেন তিনি। দুটি কলেজ, একটি উচ্চবিদ্যালয়, একটি মাদ্রাসা ও একটি কিন্ডারগার্টেন স্কুল।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো যে যেনতেনভাবে চলছে তা নয়। পড়ালেখার মান যথেষ্ট ভালো। ২০১২ ও ১৩ সালের উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষায় মোশার্রফ হোসেনের নিজের নামে প্রতিষ্ঠিত কলেজটি কুমিল্লা জেলার শীর্ষ ২০টি কলেজের তালিকায় স্থান করে নিয়েছে। সাবেক আইনমন্ত্রী আবদুল মতিন খসরুর নামে একটি মহিলা কলেজ প্রতিষ্ঠা করেছেন মোশার্রফ। ২০১৩ সালে এই কলেজটিও সেরা ২০-এর তালিকায় ছিল।

.

সম্প্রতি মোশার্রফ হোসেনের একটি ভিন্ন ধরনের উদ্যোগ নাড়া দিয়েছে মানুষের মনে। জরাজীর্ণ হয়ে পড়েছিল ব্রাহ্মণপাড়া শ্রীশ্রী কালীমন্দির। উপাসনা ব্যাহত হচ্ছিল হিন্দুধর্মাবলম্বীদের৷ মন্দির প্রাঙ্গণে ছিল শতবর্ষী প্রাচীন বটগাছ। সেই গাছটি ৮০ হাজার টাকায় বিক্রি করে মন্দির সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয়। স্থানীয় পত্রপত্রিকায় প্রকাশিত হয় প্রাচীন বটগাছটি বিক্রির খবর। খবরটি কানে যায় মোশার্রফের। দেরি না করে তিনি মন্দির কমিটির সঙ্গে যোগাযোগ করেন। বিক্রি হওয়া গাছটি এক লাখ টাকায় কিনে নিয়ে দান করেন মন্দিরকে।

মন্দির রক্ষা কমিটির সভাপতি তপন কান্তি দেব প্রথম আলোকে বলেন, এই গাছটি এখন বেঁচে থাকবে তার আয়ুষ্কাল অবধি। এলাকার হিন্দুধর্মাবলম্বীরা তো তাঁর এই বদান্যতার কথা সব সময় মনে রাখবেই, উপরন্তু এই গাছটির দিকে তাকালে এখন এলাকার হিন্দু-মুসলিম সবাই মোশার্রফ হোসেনের কথা মনে করেন।

Abdullah Al Zaed Razu

Posted by Nipunservices on November 17, 2014 at 9:45 AM Comments comments (23)

.

হেঃ...হেঃ...হেঃ

শিক্ষিত জাতির ঘর ভাড়া !!!

Ajmal Hoq Helal

Posted by Nipunservices on November 17, 2014 at 8:05 AM Comments comments (131)

.

সকাল থেকে সন্ধ্য পর্যন্ত এই মেয়েটি মগবাজার মোড় থেকে রমনা থানার দিক যেতে হাতের ডানে ফুট পথে দাড়ীয়ে থাকে। মানুষ দু এক টাকা দেয় তা দিয়ে মা ও ছোট ভাইয়ের খাবার জোগায়

Sadhan Biswas

Posted by Nipunservices on November 17, 2014 at 8:00 AM Comments comments (16)

.

আজ 'কার্তিক' পুতুলের পুজো।

.

শহুরে মধ্যবিত্ত হিন্দুর এই জাতীয় পুতুল খেলার শখটা একটু বেশি। আসলে সেলিব্রেট করার একটা বিষয় চাই আরকি। শহুরে বাজারে যে পরিমাণে এই পুতুল বিক্রি হচ্ছে গ্রামের হাটে-বাজারে তা নয়। আজ বাজারে গিয়ে দেখলাম হাজার হাজার কার্তিক।

Noman

Posted by Nipunservices on November 16, 2014 at 6:55 PM Comments comments (63)

.

বড় মামার কাছে একটি আবেদনপত্র

.

বরাবর

বড় মামা

বাংলাদেশ

.

বিষয়: সব পরীক্ষায় ছাত্রলীগের কর্মীদের ওপর ‘বিশেষ সুনজর’ রাখা প্রসঙ্গে।

.

জনাব

.

সবিনয় নিবেদন এই যে আমি ছাত্রলীগের একজন উঠতি কর্মী। কদিন আগে ছাত্রলীগের নেতা–কর্মীদের আশ্বস্ত করে বলা হয়েছে, ‘তোমাদের লিখিত পরীক্ষায় ভালো করতে হবে। তার পরে আমরা দেখব।’ কিন্তু আপনি হয়তো জানেন না, লিখিত পরীক্ষায় ভালো করা আমাদের জন্য কতটা কঠিন! কারণ, আমরা তরুণসমাজকে সামলাব, নাকি পরীক্ষা! একসঙ্গে তো দুটো চলতে পারে না।

.

আপনি জানেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের হলগুলোতে আমরা প্রায় মানবেতর জীবন যাপন করছি। ছারপোকার কামড় আর টলটলে ডাল খেয়ে কতটুকুই বা পুষ্টি মেলে! তার পরও আমরা কিন্তু ওসব খেয়েই অন্য গ্রুপের সঙ্গে হাতাহাতি, মারামারি, দখলদারি চালিয়ে যাচ্ছি। পালন করছি বিশ্ববিদ্যালয়গুলো পুরোপুরি ঠান্ডা রাখার মতো গুরুত্বপূর্ণ সব দায়িত্ব। আপনি নিশ্চয়ই উপলব্ধি করবেন, এতগুলো গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব সুষ্ঠুভাবে পালনের পর পড়াশোনার সময় বের করা কতটা কঠিন। আর এর ফলে আমাদের অধিকাংশ মেধাবী কর্মীই লিখিত পরীক্ষায় ভালো ফল করতে পারছে না।

.

অতএব বিনীত প্রার্থনা এই যে, কেবল ভাইভাতে নয়, লিখিত পরীক্ষাতেও বিশেষ সুনজর রেখে আমার মতো হাজার হাজার মেধাবী ছাত্রলীগের কর্মীর উজ্জ্বল ক্যারিয়ার গঠনে সহযোগিতা করতে আপনার মর্জি হয়।

.

নিবেদক

আপনার একান্ত বাধ্যগত

ছাত্রলীগের একজন কর্মী

লেখা: কাসাফাদ্দৌজা নোমান

Engr Bashar Siddiqe

Posted by Nipunservices on November 16, 2014 at 1:55 PM Comments comments (191)

প্রিয়তমা

স্বপ্ন দেখি আমিও একদিন রেল মুন্ত্রি হপো

বুড়া বয়সে তোমাকে দ্বিতিয় নিকাহ করিপো

কিন্তু তুমি যদি এখনই তোমার বালুবাশা দেউ

তাহলে প্রথম নিকাহটাও তুমাকেই করিপো

.

প্রিয়তমা

স্বপ্নদেখি আমিও একদিন ছিঃনেমার নায়ক হপো

জলিল বাই এর মত অসম্ভবকে সম্ভব করপো

কিন্তু তুমি যদি এখনই তোমার বালুবাশা দেউ

তাহলে তুমাকেই তখন নাইয়াকর জন্য রাখিপো

.

প্রিয়তমা

স্বপ্নদেখি আমিও একদিন এস্ট্রোনট হপো

বঙবন্ধু চ্যাটেলাইটে চরে চান্দে যাপো

কিন্তু তুমি যদি এখনই তুমার বালুবাশা দেউ

তাহলে তুমার জন্যও একটা অগ্রিম সিট বুকিং দেপো

.

প্রিয়তমা

স্বপ্ন দেখি আমিও একদিন বিএনপি তেনা হপো

প্রত্যেক ঈদের পরে একটি করে আন্দুলুনের ডাক দেপো

কিন্তু তুমি যদি এখনই তুমার বালুবাশা না দেউ

তাহলে প্রত্যেক ঈদের পরেই তুমার জন্য আন্দোলন স্থাগিত করপো

.

প্রিয়তমা

স্বপ্ন দেখি আমিও একদিন টকশো বুদ্ধিজিবি হপো

টিভিতে গিয়া বাল ফেইলা আটি বাইন্ধা তালগাছে মাথায় উঠাপো

কিন্তু তুমি যদি এখনই তুমার বালুবাশা দেউ

তাহলে প্রতিটা টকশোতে শুধু তুমাকে নিয়েই আলুচুনা করপো

প্রিয়তমা

স্বপ্ন দেখি আমিও একদিন সাকিব আল হাসান হপো

এক ম্যাচে ২০ টা উইকেট নেপো আর ২ টা চেঞ্চুরি করপো

কিন্তু তুমি যদি এখনই তুমার বালুবাশা দেউ

তাহলে সবগুলা উইকেট আর চেঞ্চুরি তুমাকেই উৎসর্গ করপো

Khondaker

Posted by Nipunservices on November 16, 2014 at 11:10 AM Comments comments (1)

.

বস্তিতে বৈধভাবে পানি সরবরাহ করা হবে

আগামী বছরের মধ্যে সব বস্তিতে বৈধভাবে পানি সরবরাহ করা হবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম। তিনি জানান, রাজধানীর কড়াইল বস্তিসহ বেশকিছু বস্তিতে ইতোমধ্যে বৈধভাবে পানি সরবরাহ করা হচ্ছে। বাকি বস্তিগুলো বিবেচনাধীন।

Molla Bahauddin

Posted by Nipunservices on November 16, 2014 at 11:00 AM Comments comments (44)

.

খালেদার গল্প এবার কিশোরগঞ্জে

বুধবার কিশোরগঞ্জে ভাষণের নামে গল্প বলতে ঢাকা ছেড়েছেন। আন্দোলন, মামলা আর সরকারের সমালোচনায় অবৈধ সরকারের খেতাব দিয়ে আবারো নির্দলীয় তত্বাবধায়ক সরকারের দাবী তুলবেন- এমনটাই আশা করা হচ্ছে।

প্রায় দেড় ঘন্টার ভাষণে উচ্চারণে ভুল, ভুল তথ্য পরিবেশন আর গল্প বলার আসরে নিজেই প্রশ্ন আবার নিজেই উত্তর দেয়ার হাস্যকর পরিনতিতে অগণিত মানুষের দৃষ্টি কাড়তে ব্যর্থ হবেন। কারণ খুব লক্ষ্য করলে দেখা যায়, তিনি যখন গল্প বলতে থাকেন তখন সভার সামনের দিকে অতি শৃঙ্খলে থাকা জামায়াত শিবির, ত্যাগী ছাত্রদলের কর্মী বৃন্দ ছাড়া কেও মোবাইলে কথা বলছে, কেও খাবার খাচ্ছে অথবা টাকা পেয়েছে তাই হাজিরা দেয়ার সংস্কৃতিতে রয়েছে হাজার হাজার মানুষ। সেখানে এমন নেতৃত্ব প্রকটিত হয় নাই যে, মানুষ স্ট্যাচু হয়ে বেগম খালেদা জিয়ার গল্প বলার আসরে শিশুর মতো মনোযোগি হয়ে পড়বে!

Khondaker

Posted by Nipunservices on November 16, 2014 at 11:00 AM Comments comments (1)

.

হাঁড়ির একটা ভাত টিপলেই হাঁড়ির খবর জানা যায় - নাসিম কি সেটা জানে?

নাসিম বলেন, ‘স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে আড়াই লাখ লোক কাজ করে। কিন্তু মাত্র ৩৫ জনের কাছ থেকে তথ্য নিয়ে টিআইবি এ প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।’

উল্লেখ্য, গত ৬ নভেম্বর ‘স্বাস্থ্যখাতে সুশাসনের চ্যালেঞ্জ ও উত্তরণের উপায়’ শীর্ষক একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)। ওই প্রতিবেদনে অ্যাডহক চিকিৎসক নিয়োগে ৩ থেকে ৫ লাখ ঘুষ নেয়া হয় বলে অভিযোগ আনা হয়।

এতে বলা হয়, চিকিৎসক-কর্মকর্তাসহ সব ধরনের নিয়োগ-বদলিতে দলীয়করণ ও অপর্যাপ্ত বরাদ্দের কারণে স্বাস্থ্যখাতের সুশাসনের ঘাটতি রয়েছে।

প্রতিবেদনে আরো বলা হয়, স্বাস্থ্যখাতে তৃতীয় শ্রেণীর কর্মচারী নিয়োগ ও বদলিতে ১ থেকে ৫ লাখ, ঢাকার পার্শ্ববর্তী এলাকায় বদলিতে ৫ থেকে ১০ লাখ, সুবিধাজনক স্থানে দীর্ঘদিন অবস্থানের জন্য ২ থেকে ৫ লাখ টাকাসহ বিভিন্ন প্রকার ঘুষের লেনদেন হয়। আর এসব নিয়ন্ত্রণ করে এ খাতের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট দলীয় ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, স্বাস্থ্যখাতে যন্ত্রপাতি ক্রয়, জনবল নিয়োগ, হাসপাতালের ভবন নির্মাণ, ওষুধ সরবরাহসহ সেবাগ্রহণের প্রতিটি ক্ষেত্রেই ঘটে ভয়াবহ দুর্নীতি। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি দুর্নীতি হয় নিয়োগ ও বদলির ক্ষেত্রে।

Khondaker

Posted by Nipunservices on November 16, 2014 at 10:55 AM Comments comments (1)

.

এতো অর্থ আসে কোথা থেকে?

আবদুর রহমান বদি নানা সময়ে নানা কারণে সংবাদের শিরোনাম হয়েছেন। তাঁর চরিত্রের বৈপরীত্যের দিকটি তুলে ধরা এখানে অপ্রাসঙ্গিক হবে না। ২০০৮ সালে প্রথমবার নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে তাঁর হাতে নানা সময়ে প্রহৃত হয়েছেন, নির্যাতিত হয়েছেন কখনো মুক্তিযোদ্ধা, কখনো সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী, কখনো বা ব্যাংক কর্মকর্তা। আইনপ্রণেতা নির্বাচিত হওয়ার মানে যে আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়া নয়, এ কথা কিছুতেই মানতে চাননি এই সাংসদ। অন্যদিকে, নির্বাচিত হওয়ার পর তাঁর নির্বাচনী এলাকার প্রায় ৭৭ হাজার মানুষের একটি তালিকা তৈরি করে তাঁদের দিয়েছেন জাতীয় পরিচয়পত্রের আদলে অন্য একটি পরিচয়পত্র, যার মাধ্যমে এই দরিদ্র ব্যক্তিদের মধ্যে নিজের তহবিল থেকে প্রতি মাসে ২০ কেজি চাল ও ৫০০ টাকা নিয়মিত বিতরণ করে আসছেন তিনি। এ ছাড়া প্রতিবছর দুই ঈদে শাড়ি-লুঙ্গি ও লাখ লাখ টাকা বিতরণ করে রীতিমতো ‘দানবীরে’র মর্যাদা পেয়েছেন এলাকাবাসীর কাছে। জনশ্রুতি আছে, পাঁচ বছরে প্রায় ১০ কোটি টাকা বিতরণ করেছেন তিনি। স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন জাগে, এই বিশাল অর্থ কোথায় পেলেন বদি?


Rss_feed

Oops! This site has expired.

If you are the site owner, please renew your premium subscription or contact support.