Nipun Services
  Toronto, Ontario, Canada
  A  House of  Quality & Trust

  Nipun  Services

  Provide accurate services

News and Views Post New Entry

Hello Today

Posted by Nipunservices on May 1, 2014 at 10:20 AM Comments comments (0)

 

.

মহান মে দিবস আজ।

শ্রমজীবী মানুষের অধিকার আদায়ে রক্তঝরা সংগ্রামের গৌরবময় ইতিহাস সৃষ্টির দিন। এই দিনেও যেন একদণ্ড অবসর নেই শ্রমিকদের|

Mohammad Shahidul Islam

Posted by Nipunservices on May 1, 2014 at 9:30 AM Comments comments (0)

মাথায় ৯০ কেজি ওজনের বস্তা। কুঁজো হয়ে যাচ্ছে শরীর। কর্ণফুলী ঘাটে শ্রমিকেরা এভাবেই উদয়াস্ত ভার টানেন প্রতি বস্তা ৬ টাকা ৪০ পয়সার বিনিময়ে..ছবি: প্রথম আলো

 

 

 

 

Ajmal Hoq Helal

Posted by Nipunservices on April 29, 2014 at 8:05 PM Comments comments (0)

প্রচন্ড  গরমে  অসহায় শিশু ও তার মা। শিশুটি মায়ের দুধ পান করতে ব্যস্ত

 

প্রচন্ড গরমে অসহায় শিশু ও তার মা। শিশুটি মায়ের দুধ পান করতে ব্যস্ত

 

Naushin Queen

Posted by Nipunservices on April 25, 2014 at 10:15 AM Comments comments (0)

Quran - Sura Iasin 47

Posted by Nipunservices on April 17, 2014 at 10:00 AM Comments comments (0)

Ripon Canada's photo.

 

যখন তাদেরকে বলা হয়, আল্লাহ তোমাদেরকে যা দিয়েছেন, তা থেকে ব্যয় কর। তখন কাফেররা মুমিনগণকে বলে, ইচ্ছা করলেই আল্লাহ যাকে খাওয়াতে পারতেন, আমরা তাকে কেন খাওয়াব? তোমরা তো স্পষ্ট বিভ্রান্তিতে পতিত রয়েছ।

Abu Sayeed Ahamed

Posted by Nipunservices on April 16, 2014 at 9:00 PM Comments comments (0)

Ripon Canada's photo.

 

শুক্রবার। সাপ্তাহিক ছুটির দিন। ঢাকায় ফিরবো। ঢাকার কাছের এক উপজেলার বাস কাউন্টারে দাড়িয়ে বাসের জন্য অপেক্ষা করছি।

.

রাত প্রায় সাড়ে আটটা বেজে গেছে। জানলাম জেলা শহর থেকে বাস আসতে দেরী হবে। পথে একটা ট্রাক খাদে পড়ায় রাস্তায় ভয়াবহ জ্যাম লেগে গেছে।

.

বাস কাউন্টারের কাছাকাছি চায়ের টং দোকানে দাড়ালাম। চায়ে চুমুক দিতে দিতে লক্ষ করলাম এক কিশোর বারবার আমার দিকে তাকাচ্ছে। কিছু বলতে চাইছে। কিন্তু চোখাচোখি হতে অপ্রস্তুত হয়ে মাটির দিকে তাকিয়ে থাকে। আবার চোখাচোখি হতেই আমি মৃদু হেসে দিলাম। ইশারায় কাছে ডাকলাম। কিশোর এগিয়ে এলো।

.

আমিঃ নাম কি তোমার?

সেঃ তাজু হুশেন।

আমিঃ সমস্যা কি? চা খাবা?

তাজুঃ স্যার, আমারে তিরিশ টাকা দিবেন?

আমিঃ তিরিশ টাকা দিয়া আপনি কি করবেন, স্যার?

তাজুঃ পোলাও (তেহারী) খামু। সারাদিন কিছু খাই নাই।

আমিঃ তিরিশ টাকা দিয়া পোলাও পাইবেন কোনখানে?

তাজুঃ আমার কাছে ২০ টাকা আছে। ঐ হোটেলে কইছে ৫০টাকায় খাইতে দিবো। স্যার দিবেন আমারে ৩০ টাকা? পোলাও খামু।

আমিঃ চলেন হোটেলে যাই।

.

আমি আর তাজু রাস্তা পার হয়ে হোটেলে ঢুকলাম। হোটেলের কড়া আলোয় তাজুকে পস্ট দেখলাম। বয়স তেরো থেকে চৌদ্দ বছর হবে। মুখ অসম্ভব মলিন। চুল ছোট করে কাটা, তেলে আর ধুলায় চিকচিক করছে। অসম্ভব মায়াভরা দুটা চোখ। চোখ দেখে মনে হচ্ছে কিছুক্ষন আগেও কান্না করেছে। গায়ে সাদা রঙ্গের হাফ হাতা শার্ট। শার্টের বোতামগুলা লাল। ছাই রঙ্গের একটা বিবর্ন প্যান্ট পরেছে। পায়ে প্লাস্টিকের স্যান্ডেল।

.

তাজুর কাছে জানতে চাইলাম সে মুরগি না গরুর গোশতের পোলাও খাবে। হোটেলের বয় আমাকে উদ্ধার করতে এগিয়ে এলো। জানালো সন্ধ্যায় ৭০ টাকা দামের হাফ প্লেট গরুর তেহারী তাজুকে ৫০ টাকায় দিতে তারা রাজী হয়েছিলো। আমি তাজুর কাছে জানতে চাইলাম সে কোনটা খাবে। তাজু পছন্ড করলো মুরগি। খুব তৃপ্তি নিয়ে ও খাচ্ছে। আমি কোন কথা না বলে ওকে আর ওর খাওয়া দেখতে থাকি। কেনো যেনো মনে হলো ওর চোখ বারবার ছলোছলো হয়ে উঠছে।

.

খাওয়া শেষে আলাপ শুরু করলাম। যা জানলাম তা খুব সাদামাটা ঘটনা। তাজুর বাবা তিন বছর আগে আর একটা বিয়ে করে চলে গেছেন। তাজুর মা বুয়ার কাজ করেন। ওরা থাকত রেললাইন বস্তিতে। কিছুদিন আগে বস্তির একজন দিনমজুর তাজুর মা'কে বিয়ে করেছেন। তারপর থেকে তাজু গাড়িতে গাড়িতে চকলেট বেচে। সদরঘাট টার্মিনালের সিড়িতে রাতে ঘুমায়। আর দুই তিন দিন পরপর যখন নতুন বাবা ঘরে থাকেনা তখন মায়ের সাথে দেখা করে। চকলেট বিক্রির টাকা থেকে মা'কে খিলি পান কিনে দেয়।

.

আজ তাজুর ভালো লাগছিলোনা। তাই সকাল সকাল মায়ের কাছে গিয়েছিলো। নতুন বাবা তখনো কাজে যায় নাই। মা গায়ে হাত দিয়ে দেখেছে তার অনেক জর, মাথায় পানি ঢেলে তেল মেখে দিয়েছে। মাকে ছেড়ে আসতে ওর ইচ্ছা করছিলোনা। মায়ের কাছে থাকার আব্দার করেছিলো। এই আব্দার নতুন বাবার পছন্দ হয় নাই। তিনি ওর গালে জোড়ে থাপ্পর মেরেছেন। তারপর তাজুলের ভাষায় 'গেটি ধইররা খেদায়া দিছে।'

.

তাজু তার ছোট্ট বুকে বিশাল কষ্ট চেপে রাস্তায় রাস্তায় ঘুরেছে। শেষে গুলিস্থান থেকে বাসে চেপে এখানে এসেছে। চকলেট বিক্রির মূলধন ৫০ টাকা থেকে ৩০ টাকা ভাড়া দিয়েছে আর ২০ টাকা রেখেছিলো ফিরার ভাড়া বাবদ। রাগে কষ্টে সারাদিন কিছু খায় নাই। ক্ষুদা সহ্য করতে পারছিলোনা। তাই বিশ টাকা খরচ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলো।

.

হোটেল থেকে বেড় হয়ে আসি। রাস্তা পাড় হয়ে একটা কনফেকশনারীতে ঢুকি। তাজুও সাথে সাথে আসে। ওকে এক প্যাকেট চকলেট কিনে দেই। কাল সে বিক্রি করবে। বাসে উঠে বসি। বাস ছাড়তে না ছাড়তে তাজু আমার গায়ে হেলান দিয়ে ঘুমিয়ে পরে। নিজের অজান্তে ওর কপালে হাত রাখি। বুঝতে পারি বেশ জর।

.

রাষ্ট্র তোমার কত রকম বায়নাক্কা, খেমটা তালে ঝুমুর ঝুমুর কত রকম নর্তন কূর্দন। শিশুরা জাতীর ভবিষ্যত, শিশু অধিকার, সার্বজনিন শিশু শিক্ষা, শিশু দিবস কত রকম ভুজং ভাজুং। খাদ্য, বস্ত্র, বাসস্থান শিক্ষা রাষ্ট্রের প্রতিটা নাগরিকের মৌলিক অধিকারের সাংবিধানিক লারেলাপ্পা। অথচ বাস্তব চিত্র হলো এই রাষ্ট্রের অধিকাংশ শিশুরা খেটে খায়, খেটে বাচে, খেটে মরে। তারা নিজেদের অধিকার আদায়ে রাষ্ট্রকে চ্যালেঞ্জ করেনা, সংবিধানের দিকে আঙ্গুল তুলেনা, মানচিত্র চিবিয়ে খেতে চায় না।

.

বাস ঢাকার দিকে ছুটছে। তাজু ঘুমাছে। তাজুরা ঘুমিয়ে থাকলেই রাষ্ট্র নিরাপদ ও রাষ্ট্রের মঙ্গল। তাজুরা চিরদিনের জন্য ঘুমিয়ে গেলে রাষ্ট্র আরো বেশী নিরাপদ, রাষ্ট্রের চিরস্থায়ী মঙ্গল।

 

Easin_mahmood

Posted by Nipunservices on March 25, 2014 at 1:55 PM Comments comments (0)

সারা স্কুল লাইফে মাঠে দাঁড়িয়ে জাতীয় সঙ্গীত গাইলাম, এর জন্য কখনো স্যারদের খরচ করতে হয়েছে বলে শুনি নাই।

প্রতিদিন সকাল ৭টায় প্রায় লাখ খানেক বাচ্চা ঢাকা শহরের স্কুলগুলো জুড়ে জাতীয় সঙ্গীত গায়, তার জন্যও কোন খরচের বালাই নেই। কিন্তু বিশ্বরেকর্ডের বেলায় এতো খরচ কেন?

.

টার্গেট লোক সমাগম- ৩ লক্ষ

প্রস্তাবিত বাজেট- ৯০ কোটি

মাথা পিছু খরচ- ৩ হাজার টাকা!! (একজন গারমেন্টস শ্রমিকের মাসিক মজুরির কাছাকাছি.

.

যাহ বাবা!! বাঙ্গালীর এতো সব ভাবলে চলে? এদেশে শখের মূল্য লাখ টাকা আর চেতনার মূল্য কোটি টাকা। এমন চেতনাধারীও বিশ্বের আর কোথাও মিলবে না, সেই তুলনায় বেশ সস্তাই পড়েছে বলতে হবে।

Shaian

Posted by Nipunservices on November 27, 2013 at 8:55 AM Comments comments (0)

Ripon

Posted by Nipunservices on November 25, 2013 at 8:20 PM Comments comments (0)

Ripon

Posted by Nipunservices on November 25, 2013 at 1:45 PM Comments comments (0)

Chokku Miah

Posted by Nipunservices on November 25, 2013 at 9:50 AM Comments comments (0)

Sadia Shumi

Posted by Nipunservices on November 25, 2013 at 12:05 AM Comments comments (0)

ক অন্ধ বালক একটি বড় ব্যাংকের সামনে বসে ছিলো।তার সামনে

ছিলো একটি থালা আর হাতে ছিলো একটি কাগজ,যাতে

লেখাঃ ‘আমি অন্ধ,অনুগ্রহ করে সাহায্য করুন’।

.

সারাটা সকাল তার থালায় মাত্র কয়েকটি পয়সাই জমেছিলো। ব্যাংকের এক চাকুরিজীবী ব্যাংকে ঢোকার সময় অন্ধটিকে দেখলো। সে তার মানিব্যাগ বের করে তাকে কিছু পয়সা দিলো, তার হাতের কাগজটি নিল এবং এর পেছনে কিছু লিখলো। এরপর ছেলেটির হাতে তা ধরিয়ে দিল যাতে সবাই নতুন লেখাটি দেখতে পায়।

.

এরপর আশ্চর্যজনক ভাবে সবার সাহায্যের পরিমান বেড়ে গেল।অনেক বেশি লোক ছেলেটিকে সাহায্য করতে থাকলো,তার থালাও ভরে উঠলো।বিকেলে সেই ব্যাংকার তার অফিস থেকে বেড়িয়ে ছেলেটিকে দেখতে এলো। তার গলা চিনতে পেরে ছেলেটি তাকে জিজ্ঞেস করলো,‘তুমিই কি সেই লোক যে আমার কাগজের লেখাটি বদলে দিয়েছিলে? কি লিখেছিলে তুমি?’

.

লোকটি বললো,‘আমিও সত্যটাই লিখেছিলাম তবে একটি ভিন্ন ভাবে।লিখেছিলাম,‘‘আজ খুব সুন্দর একটি দিন কিন্তু আমার দুর্ভাগ্য আমি দেখতে পাই না।’’

.

দুটো লেখাই মানুষকে বলে যে ছেলেটি অন্ধ।কিন্তু প্রথমটি শুধু বলে যে সে অন্ধ।কিন্তু দ্বিতীয় লেখাটি মানুষকে বলে তারা অনেক ভাগ্যবান যে তারা অন্ধ নয়।

.

তোমার যা আছে তারজন্য আল্লাহর কাছে কৃতজ্ঞ থাকো। নতুন ভাবে চিন্তা করতে শিখো, সবার চেয়ে একটু ভিন্নভাবে কিন্তু পজিটিভ ভাবে ভাবতে শেখো। জীবন যখন তোমাকে কষ্ট পাওয়ার একশটা কারন দেয়,জীবনকে দেখিয়ে দাও যে তোমারও সুখী হওয়ার হাজারটা কারন আছে।

 

RUET Shomanupatik

Posted by Nipunservices on November 24, 2013 at 7:30 AM Comments comments (0)

"সমানুপাতিক" - RUET এর শীতবস্ত্র সংগ্রহ

Please help us by providing some cloths to us, It is too cold for us !!!

রুয়েট : "করুণায় নয়, ভালোবাসায়; অনুরোধে নয়, দায়িত্ববোধে" এই শ্লোগান নিয়ে ২০১২ সালের ৯ই জানুয়ারী সাধারণ ছাত্রছাত্রীদের উদ‌্যোগে যাত্রা শুরু করে রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়-এর স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন "সমানুপাতিক-A Voluntary group of RUETians" প্রতিষ্ঠার পর হতে সংগঠনটি প্রতিবন্ধীদের উন্নয়ন, স্বাবলম্বীকরনের, দরিদ্র জনগোষ্ঠীর শিক্ষা ক্ষেত্রে আগ্রহ সৃষ্টির মতো সামাজিক কর্মকান্ড চালিয়ে যাচ্ছে। এরই অংশ হিসেবে প্রতি বছরের ন‌্যায় এবারও সংগঠনটি "একটি শীতবস্ত্র হোক, একজন অসহায় শীতার্ত মানুষের অস্ত্র" উক্ত শ্লোগান বুকে ধারণ করে দরিদ্র অসহায় শীতার্ত মানুষের জন্য শীতবস্ত্র সংগ্রহ করছে। সমানুপাতিক আশা প্রকাশ করেছে এবার তারা ৫ হাজার অসহায় দরিদ্র শীতার্ত মানুষের হাতে শীতবস্ত্র পৌছে দিতে সক্ষম হবে। এই মহান উদ্যোগে তারা সকলের সহযোগীতা কামনা করছে।

বিস্তারিত জানতে https/www.facebook.com/events/1430679373810679 পেইজটি ভিজিট করুন।

.

এছাড়া নগদ অর্থ সাহায্য হিসেবে পাঠাতে পারেন নিচের ২টি বিকাশ নাম্বারেঃ

.

০১৬৭২-৪১১৪৮৭ (পারসোনাল নাম্বার অথবা ০১৭৫৫-১০৭৯৮৭ (পারসোনাল নাম্বার)

.

এছাড়া সমানুপাতিক সম্পর্কে যে কোন তথ্যের জন্য যোগাযোগ করতে পারেন-০১৭৯১-১১১১৫০ নাম্বারে।

Ripon

Posted by Nipunservices on November 23, 2013 at 3:05 PM Comments comments (0)

Photo

Queen

Posted by Nipunservices on November 20, 2013 at 8:10 AM Comments comments (0)

ওরা জানেও না আজ বিশ্ব শিশু দিবস: বেঁচে থাকার নির্মম যুদ্ধে অন্যের ব্যাগ-বোঝা মাথায় নিতে হয় এই শিশুদের।  ছবিটি কমলাপুর রেলস্টেশন থেকে তোলা। ছবি: মনিরুল আলম

আজ বিশ্ব শিশু দিবস। ক্লাসে বন্ধুদের সঙ্গে দুষ্টামি করছে এই শিশুরা। ছবিটি পুরান ঢাকার ওয়ারী এলাকার সিলভারডেল প্রিপারেটরি অ্যান্ড গার্লস হাইস্কুল থেকে তোলা। ছবি: মনিরুল আলম

ওরা জানেও না আজ বিশ্ব শিশু দিবস: বেঁচে থাকার নির্মম যুদ্ধে অন্যের ব্যাগ-বোঝা মাথায় নিতে হয় এই শিশুদের। ছবিটি কমলাপুর রেলস্টেশন থেকে তোলা। ছবি: মনিরুল আলম

Shaian

Posted by Nipunservices on November 19, 2013 at 7:50 AM Comments comments (0)

Ripon

Posted by Nipunservices on November 19, 2013 at 12:20 AM Comments comments (0)

Chobir Moto Desh

Posted by Nipunservices on November 11, 2013 at 9:55 PM Comments comments (0)

কি বিচিত্র এই সমাজ, কি বিচিত্র এই দেশ ! ! ! অনুভূতিগুলো সব ভোতা হয়ে যাচ্ছে ..

.

মাত্র ১শ’ টাকা না দিতে পারায় লাশ নামানোর স্ট্রেচার দেয়নি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। অবশেষে নিরুপায় হয়ে চতুর্থ তলা থেকে মায়ের লাশ কাঁধে করে নিচ তলায় নামিয়েছেন এক হতভাগা ছেলে। বৃহস্পতিবার রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এ হৃদয় বিদারক ঘটনাটি ঘটে। এদিকে এ ঘটনাটি প্রকাশ হওয়ায় নিন্দার ঝড় ওঠেছে সর্বত্র। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, লালমনিরহাটের বাড়াইপাড়া গ্রামের এন্তাজ আলীর স্ত্রী বৃদ্ধা নছিরন অসুস্থ অবস্থায় বুধবার বিকেলে রংপুরে আসেন চিকিৎসা নিতে। চিকিৎসকরা জরুরি ভিত্তিতে তাকে রমেক হাসপাতালে ভর্তি করার পরামর্শ দেন। সেই সাথে তাকে দ্রæত অক্সিজেন দেয়ার পরামর্শ দেন। পরামর্শ অনুযায়ী নছিরনকে রমেকের কার্ডিওলজি বিভাগে ভর্তি করা হয় বুধবার সন্ধ্যায়। কিন্তু সন্ধ্যা থেকে রাত তিনটা পর্যন্ত বার বার কাকুতি- মিনতি করার পরেও হাসপাতাল থেকে অক্সিজেন সরবরাহ করা হয়নি। ফলে মৃত্যু যন্ত্রণায় ছটফট করতে করতে বৃহস্পতিবার ভোরে মারা যান নছিরন। হাসপাতাল সূত্র জানায়, মৃত নছিরনের লাশ হাসপাতালের ওয়ার্ড থেকে নিচে নামিয়ে আনার জন্য কর্মচারীদের অনুরোধ করা হলে তারা একশ’ টাকা দাবি করে। দাবিকরা টাকা দিতে না পারায় তারা স্ট্রেচার দেয়নি নিহতের স্বজনদের। শেষ পর্যন্ত কাঁধে করে লাশ নিয়ে নিচে নামিয়ে আনে হতভাগা শরিফুল। এদিকে, চিকিৎসার জন্য টাকা ফুরিয়ে যাওয়ায় বিপাকে পড়ে হতদরিদ্র নছিরনের স্বজনরা। বাধ্য হয়ে হাসপাতালের সামনেই মায়ের লাশ নিয়ে ছেলে শফিকুল ভিক্ষা শুরু করে। তার কাকুতি- মিনতিতে অনেকেরই মন গলে। দিনভর লাশ সামনে রেখে ভিক্ষা করে টাকা সংগ্রহ করে তার ছেলে ও স্বজনরা। পরে সে টাকায় লাশ বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়। ছেলে শফিকুল জানান, সন্ধ্যা থেকে রাত তিনটা পর্যন্ত তার মা শ্বাসকষ্টে কাহিল হয়ে পড়ে। বার বার কাকুতি- মিনতি করার পরেও অক্সিজেন দেয়া হয়নি। রাত তিনটায় এক চিকিৎসক চিরকুটে ট্যাবলেটের নাম লিখে বাইরে থেকে আনতে বলেন। অনেক কষ্টে ওষুধ নিয়ে এসে খাওয়ানোর পর আরো বেশি অসুস্থ হয়ে পড়েন তার মা। ভোরে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন তিনি। শফিকুল দাবি করেন, চিকিৎসকদের অবহেলা আর বিনা চিকিৎসায় তার মার মৃত্যু হয়েছে। তাদের সহায়-সম্বল কিছুই নেই। যে টাকা নিয়ে এসেছিলো বাইরে থেকে ওষুধ কিনেই তা ফুরিয়ে গেছে। লাশ বাড়িতে নেয়ার মতো কোনো টাকা নেই। তাই বাধ্য হয়ে মায়ের লাশ নিয়ে ভিক্ষা করতে বসতে হয়েছে। এদিকে মায়ের মৃত্যুর পর শফিকুলের আহাজারিতে হাসপাতালের বাতাস ভারি হয়ে ওঠে। মায়ের লাশ নিয়ে কাঁদতে দেখে অনেক রোগী ও তাদের স্বজনরা সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেয়। শেষ পর্যন্ত তিন হাজার টাকা সংগ্রহ করে শফিকুল তা দিয়ে মাইক্রোবাস ভাড়া করে। পরে মায়ের লাশ নিয়ে রওনা দেয় বাড়ির দিকে। এ ব্যাপারে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ডা. রেজাউল ইসলাম কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। একই কাজ যদি আজ পুলিশ করত তাহলে মিছিল আর আন্দোলনের জোয়ার বয়ে যেত দেশে , অথচ এই কষাইদের বিরুদ্ধে কেউ স্লোগান ধরে না।

Ayzuddin

Posted by Nipunservices on September 3, 2013 at 8:15 AM Comments comments (0)

নিঃসঙ্গ কুত্তার সঙ্গী, বামের পরাজিত সৈনিক ।

Amanur Rahman Rony

Posted by Nipunservices on August 27, 2013 at 8:35 AM Comments comments (0)

 

.

এর জন্য কোন মানবাধিকার নেই। এশীর জন্য আছে। এর জন্য গোলটেবিল বৈঠকও হয় না। কোনমানবাধিকার কর্মিকে ওনার পাশে পাওয়া যায় না। গণমাধ্যমে এক কলাম খবরও হয় না।

কারণ উনি প্রাপ্ত বয়স্ক। এশী'র চেয়ে ওনার গায়ে অনেক শক্তি।


Oops! This site has expired.

If you are the site owner, please renew your premium subscription or contact support.